কোন ক্রিম মুখের জন্য ভালো

কোন ক্রিম মুখের জন্য ভালো

কোন ক্রিম মুখের জন্য ভালো ?

ছেলে অথবা মেয়ে প্রত্যেকেরই উচিৎ তার মুখের যত্ন নেয়া। এছাড়া কোনো মেয়েই চায় নাহ যে তাকে অসুন্দর লাগুক। আজকাল তো ছেলেরাও এই দিক দিপিছিয়ে নেই, কোনো এক কালে ছেলেরা তাদের মুখের যত্ন করার কথা তো ভুলেই যেত কিন্তু এখন এমন একটি সময় ছেলেরাও চায় যেন তাদেরকে সুন্দর লাগুক। আর হ্যা, এটাই করা উচিৎ কেননা ছেলেদের মেয়েদের মত মুখের যত্ন নাহ করলেও তাদের স্বাভাবিক ভাবে কমপক্ষে দিনে কম পক্ষে দুইবার মুখের যত্নে সময় দেয়া উচিত।আজকাল তো আমরা ছেলে মেয়েরা সবাই নিজেদের কাজে ব্যস্ত হয়ে পরতেছি। এখন আপনার প্রশ্ন হতে পারে, শর্টকাট এ আপনি কিভাবে আপনার মুখের যত্ন নিবেন !

এই ক্ষেত্রে আপনারা চাইলে অনেক ভাবেই নিজেদের রুপ চর্চা করতে পারেন। আপনি যখন রোদে বাহিরে বেড় হবেন তখন অবশ্যই আপনি আপনার ত্বকে সানস্ক্রিন ক্রিম লাগিয়ে নিবেন। এতে করে এটি আপনার ত্বকেকে ইউ ভি রশ্মি থেকে প্রটেক্ট করবে।এছাড়া ঘুম থেকে উঠে প্রথমে আপনার কাজ হচ্ছে ভালকরে আপনার মুখমন্ডলকে ওয়াস করে নেয়া। এরপর আপনি পরিস্কার করে কোনো কাপড় দিয়ে আপনার মুখমন্ডলকে মুছে নিবেন।

এবার আপনি আপনার মুখের ত্বককে সর্বদা নরম রাখতে আপনি ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহারে আপনার ত্বককে নরম রাখতে সাহায্য করবে।  দুপুরে অফিসের ব্রেকে আবার মুখকে ওয়াস করে নিবেন এরপর আবার আপনি ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিবেন। 

বাসায় যাওয়ার পর আপনার ত্বককে আবার ভাল করে ওয়াস করে নিবেন। আপনার ত্বকে মেকাপ লেগে থাকলে সেই ক্ষেত্রে টোনার ব্যবহার করতে পারেন।টোনার আপনি যে কোনো সুপার শপে পেয়ে যাবেন।
আপনার আশেপাশে যদি কোনো সুপার শপ না থাকে সেক্ষেত্রে চিন্তার কোনো কারন নেই। আপনি এই ক্ষেত্রে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। গোলাপ জল ভাল টোনার হিসেবে কাজ করে।

এক টুকরো তুলার বলে ভাল করে গোলাপ জল ভিজিয়ে নিবেন এরপর এই বল দিয়ে ভাল করে ঘসে ঘসে মুখকে পরিস্কার করে নিন। তবে গোলাপ জল কেনার সময় খেয়াল রাখবেন, আপনার গোলাপ জল যেন ভাল মানের হয়। কারন ভাল  গোলাপ জল না ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের প্রবলেম হতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে আবার ভালো করে মুখকে ওয়াস করে নিবেন। এরপর আবার ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করবেন।

এখন আপনার মাথায় প্রশ্ন হতে পারে, কোন ক্রিম মুখের জন্য ভালো ?সেক্ষেত্রে তো বলেই দিলাম রোদে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন এবং সাধারনত ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করবেন। এতে করে আপনার ত্বক নরম এবং উজ্জ্বল থাকবে। এবার আপনার মাথায় প্রশ্ন হতে পারে, কোন কম্পানির ক্রিম ব্যবহার করাটা ভাল হবে ?সেক্ষেত্রে আপনাকে জানিয়ে রাখা ভাল যত পারবেন ক্যমিক্যাল জাতীয় প্রডাক্ট থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেস্টা করবেন।
কারন অনেকের ত্বকেই এলার্জির প্রবলেম থাকে, তারা যদি ক্যমিক্যাল জাতীয় প্রডাক্ট ব্যবহার করে তবে কখনো কখনো সেটা তার ত্বকের জন্য খারাপও হয়ে উঠতে পারে। দেখা যায় অনেকেই আছেন যারা কোনো ক্যমিকাল প্রডাক্ট ব্যবহার করতে পারেন নাহ। ব্যবহার করলেই ত্বকে ব্রন অথবা রাশ হতে দখা যায়।
এবার আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন, তাহলে আপনি কি প্রডাক্ট ব্যবাহার করবেন !এক্ষেত্রেও কিন্তু সমাধান রয়েছে, চিকিৎসকরা বলেন, কখনোই হুট করে কারো কথা শুনে কোনো কসমেটিকস প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন নাহ। 

  • সিক্রেট ফেসপ্যাক

    সিক্রেট ফেসপ্যাক পরিমান : ২৫০ গ্রাম। কাজঃ স্কীন ফেয়ার, গ্লো & স্মুথ করে। সান বার্ন…
    Add to cart 380.00৳ 

চিকিৎসকদের মতে, “আপনার ফর্সা হওয়ার জরুরি নেই, ঝকঝকে সুন্দর এবং স্বাস্থ্যবান একটি ত্বকই যথেষ্ট।”    এখন আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন তাহলে কিভাবে ত্বকের যত্ন নিবো?
প্রাকৃতিক ভাবে ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় জানতে এখানে ক্লিক করুন। এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার ত্বকে প্রাকৃতিক বা ভেষজ উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। কারন এতে কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। 

প্রাকৃতিক ভাবে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করুন,পাশাপাশি দৈনিক অন্তত ১ ঘন্টা কার্ডিও করতে হবে। এমনকি অফিসেও নিজের চা বা জলখাবার নিজে নিয়ে আসুন, জলের বোতল ভরার জন্য সিট ছেড়ে উঠুন। পারলে কোনো জিমে অ্যাডমিশন নিন এবং অন্তত এক থেকে দের ঘন্টা বেয়াম করুন। কারডিও এবং বেয়ামের কারনে আপনার রক্ত চলাচল ভাল থাকবে ও মন ফুর ফুরা লাগবে।এতে করে আপনার শরীর-মন ভালো থাকবে এবং পাশাপাশিা আপনার গায়ের রংয়ের উজ্জলতা বৃদ্ধি পাবে।

তবে আপনি চাইলে, পাইকারিঘর এর স্পেশাল ফেসপ্যাক ব্যবহার  করে দেখতে পারেন। যেখানে রয়েছে বহু সংখ্যক প্রাকৃতিক এবং ভেষজ উপাদানের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই প্রডাক্টে কোনো পার্শপ্রতিকৃয়া নেই। 

সিক্রেট ফেসপ্যাক এর বিশেষত্বঃ

  • স্কিন গ্লো করে
  • সানবার্ন রিমুভ করে
  • ডার্ক সার্কেল / চোখের নিচের কালচে দাগ রিমুভ করে
  • ব্ল্যাক/হুয়াইটহেড বের করে আনে চোখের সামনে।
  • ডিপ ক্লিন করে
  • অনেকের স্কিন কারণ ছাড়াই মলিন হয়ে কালচে হয়ে আসে।এটি অসাধারনভাবে স্কিন উজ্জ্বল করতে পারে
  • প্রথমবার ইউজের পরই বুঝতে পারা যায় এটা কতটা ভালো কাজ করে।৭ দিনের ভেতর রেসাল্ট পাওয়া যাবেফুল নিয়মমতো ইউজ করলে রেসাল্ট পাবেন না এমন কেও হবেন না।
  • এই প্রতিটি কাজ করে পার্মানেন্টলি।ইউজ করা ছেড়ে দিলেও কোন প্রব্লেম হয় না আর আগের মতোও হয়ে আসে না।যতখানি ব্রাইট হয়েছেন তাই থাকবেন

বিদ্রঃছেলে মেয়ে সবাই ইউস করতে পারে এটি। সেনসিটিভ সহ যে কোনো ধরনের স্কিনে ব্যবহার করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

five × three =