চুলের খুশকি দূর করার উপায় 

চুলের খুশকি দূর করার উপায় 

চুলের খুশকি দূর করার উপায় 

 

খুশকি নিয়ে প্রবলেমে পরেনি এমন লোক খুজে পাওয়া খুবই মুশকিল। কারন ছেলে বা মেয়ে হোক খুশকি একবারও হয়নি এমন লোক কোথাও খুজে পাওয়া যাবে নাহ।
তবে যখন মাথায় খুশকি হয় তখন সবাইকে দেখা যায় খুশকি নিয়ে বিরক্ত হয়ে যেতে। অনেকের কাছেই চুলের খুশকি নিয়ন্ত্রণে রাখাটা অসাধ্যের ব্যপার হয়ে যায়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে, চুলের খুশকি দূর করার উপায় কি?

হ্যা, খুশকীর সমাধান রয়েছে। আপনি চাইলে ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে খুশকি দূর করতে পারবেন।  

তাহলে আসুন প্রথমে জানি যে, খুশকী কি!

খুশকি কীঃ

এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া অবিশাস্য মাথায় কখনো খুশকি হয় নি।ত্বকের মরা কোষই আসলে খুশকি।মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে নতুন কোষ তৈরির পাশাপাশি এর প্রভাব ঘটে। দেখা যায়, ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারনে আপনার মাথা চুলকায়।

 

খুশকির ধরনঃ

ছোট ও বড় দু’রকমের খুশকি হয়।সাধারণত ছোট খুশকি বোঝা যায় না। দেখা যায়, চুল আঁচড়ালেই মাথায় আঠার মত লেগে থাকে চিরুনিতে ।এগুলো দূর  করতে নিয়মিত পরিচর্যা করা উচিৎ। তবে বড় খুশকি গুলো  মারাত্বক হয়, এ ধরনের খুশকির জন্য অনেক ধরনের প্রবলেম দেখা যায়। যেমনঃ চুল পড়া, চোখ চুলকানো এছাড়া ব্রনও উঠতে পারে। 

 

খুশকি হয় কেনঃ

 

মাথায় খুশকি হতে পারে অনেক কারণেই। সেবোরেইক ডারমাটাইটিস বা ত্বকের তৈলাক্ত ও চুলকানিপ্রবণ অবস্থাকে খুশকির সবচেয়ে সাধারণ কারণ বলা যেতে পারে। ম্যালাসেজিয়া নামক ছত্রাক এর কারনে এর প্রভাব ফেলে। এই ম্যালাসেজিয়া ছত্রাক সব প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মাথার খুলিতে থাকে। নতুন ত্বক কোষ জন্মাতে সহায়তা করে ম্যালাসেজিয়া। এই ছত্রাক বিপদে ফেলতে পারে যখন ত্বকে ময়লা জমে তেল চিটচিটে অবস্থার মধ্যে থাকে। আর এমন সময় জন্মানো অতিরিক্ত কোষগুলো মরে যায় এবং ঝরে পড়ে। আসলে আমাদের ত্বকের মৃত কোষ মাথা থেকে ঝরে পড়া সাদা-হলদে খুশকি। তবে শরীরের অন্যত্রও খুশকি হতে পারে। মাথা ছাড়াও বাহুমূল, ঊরুসন্ধিসহ বেশ কিছু জায়গায় খুশকী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া খুশকির একটা সাধারণ কারণ শুষ্ক ত্বক, সাধারণত খুশকি তৈরিতে সহায়তা করে শুষ্ক ত্বকের ছোট ছোট মৃত কোষ।মাথা ছাড়াও শরীরের অন্যত্র শুষ্ক ত্বকের নমুনা দেখা যাবে, এ কারণে খুশকি হলে তা আপনি এমনিতেই টের পাবেন।দ্রুত খুশকি হলে তার প্রতিকার করা দরকার।নাহোলে চুল পড়া সহ নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে।ঘরে বসেই খুশকি প্রতিকারের প্রাকৃতিক উপাদান তুলে ধরা হলো।

 

জলপাই তেলঃ

 খুশকির সমস্যা দূর করার ক্ষেটড়ে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েলের ব্যবহার নানা দেশে খুবই জনপ্রিয়। নিয়মিত জলপাই তেল ব্যবহারে, আপনি খুশকি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ত্বকের আর্দ্রতা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করে জলপাই তেল। প্রাকৃতিকভাবেই ভালো ময়েশ্চারাইজার এবং ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে।

 

নারকেল তেল ও কর্পূর তেলঃ

নানা ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ নারকেল তেল ও কর্পূ‌রের তেল। একটা বোতল বা পাত্রে আধা কাপ নারকেল তেলের মধ্যে এক চা-চামচ কর্পূরের তেল মিশ্রণ করুন। মুখ ভালো করে লাগানো আছে কি না বোতলের সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে,বাতাস যাতে ভেতরে না ঢুকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শুষ্ক স্থানে রাখা পাত্রে কিছুটা তেল  নিয়ে হাতে লাগিয়ে মাথায় দিতে হবে।দশ মিনিটের মতো ঘষে ঘষে চুলের গোড়ায় মাখুন। ঘুম থেকে সকালে উঠে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।এভাবে প্রতিদিন ১৪ দিন ব্যবহার করে যদি  উপকার পান তাহলে ধীরে ধীরে এটা একদিন পর পর মাখুন বা আরও কমিয়ে দিন।

 

বেকিং সোডা ব্যবহারঃ 

মাথা হাল্কা পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে খানিকটা বেকিং সোডা পুরো মাথায় মেখে নিন।ধুয়ে ফেলুন ভালো করে ঘষে ঘষে শ্যাম্পু না করে পানি দিয়ে।প্রথম থেকে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে এটা মাথার খুলিতে থাকা ছত্রাক দমন করে।স্বাভাবিক তৈলাক্ত অবস্থা ফিরে আসবে অল্প সময়ের ভিতর।আপনি খুশকি থেকে মুক্তি পাবেন এ সময়ে।

 

লেবুর রসঃ

দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস দিয়ে পুরো মাথায় চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে মাখুন । এর পর কিছুক্ষন পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এক কাপ পানিতে মেশান এক টেবিল-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার মাথা ধুয়ে ফেলুন লেবুর রস মেশানো পানি দিয়ে। এভাবে ব্যবহার করতে পারেন খুশকি না কমা পর্যন্ত।

 

নিমপাতা:

নিমপাতার গুণের কথা কারও অজানা নয়।দারুণ কাজে দিতে পারে খুশকির প্রকোপ কমাতে।গোসলের  এক ঘণ্টা আগে এক মুঠো নিমপাতা পেস্ট তৈরি করে নিন সেটা মাথায় লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন৷ এক ঘণ্টা রাখার পরে ভেষজ কোনও শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে মাথা ধুয়ে নিন। খুব ভালো ফল পাবেন আগের দিন রাতে এই পেস্টটা লাগিয়ে পরদিন শ্যাম্পু করতে পারলে।পেস্ট লাগাতে চাচ্ছেন নাহ?এক মগ গরম জলে এক মুঠো নিমপাতা ভিজিয়ে দিন।এইভাবে রাখুন সারা রাত।এই পানি দিয়ে পরদিন গোসল সেরে মাথা ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার খুশকি নিয়ন্ত্রণে আসবে । এছাড়াও মাথার তালুর চুলকানি কমবে নিমের নিয়মিত ব্যবহারে,খুশকির বাড়বাড়ন্ত হয় ফাঙ্গাসের কারণে,নিমের নির্যাস সেগুলিকে ক্রমশ অকেজো করে দেয়।

 

খুশকি হওয়ার সাথে সাথেই আপনাকে  নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। খুশকি হচ্ছে কেন,জানার চেষ্টা করুন। যদি খুশকি খুব বেড়ে যায়, সেই ক্ষেত্রে নিয়ত্রনে আনা একটু কঠিন হয়ে পরবে এবং আপনার চুল পরতে শুরু করবে। 

 

তবে আপনি চাইলে আমাদের পাইকারি ঘরের  সিক্রেট ড্যানড্রাফট প্যাক ব্যবহার করে দেখতে পারেন।  
এতে রয়েছে বহু সংখ্যক প্রাকৃতিক উপাদান+ ভেষজ উপাদানের সমস্টি। 

যা চুলে খুশকি, কিছুটা রাফ, সিল্কি না বাট চাচ্ছেন স্মুথ করতে, এজন্য হেয়ার প্যাক এর জুড়ি নেই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 + thirteen =