স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার ক্রিম

স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার ক্রিম

 

কোন মেয়েই বা চায় না, তার মুখের উজ্জলতাকে বৃদ্ধি করতে।

কিন্তু আপনি কি জানেন যে, বাজারে যে স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার ক্রিম পাওয়া যায় তা আপনার ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে দাড়াবে কিনা !

 

আজ আমি এই ব্লগটি দিয়ে আপনাকে পুরো ব্যপারটি ক্লিয়ার করে দিবো। তবে এই জন্য আপনাকে সম্পূর্ন ব্লগটি পড়তে হবে তাহলেই আপনি পুরো ব্যপারটা ক্লিয়ার হয়ে যাবেন। 

 

ডাঃ ঝুমু (পরিচালকঃ লেজার মেডিকেল সেন্টার) বলেন কোনো ক্রিমই আসলে শরীরের রং কে ফর্সা করে না। এর কারণ হচ্ছে, ত্বকের রঙ এর সাথে শরীরের ভেতরের অনেক উপাদান রয়েছে যা ত্বকের রঙ এর সাথে জরিত থাকে। 

 

আমাদের শরীরে মেলানোসাইড রয়েছে যা ত্বকের রঞ্জক তৈরি করে, আর এই রঞ্জকই আমাদের গায়ের রং ধারন করে থাকে। এই রঞ্জক ত্বক রক্ষার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি হিসেবে কাজ করে থাকে। 

 

এছাড়াও তিনি যানান, বাজারে সস্তায় বা কমদামের অনেক ধরনের ফর্সা হওয়ার ক্রিম রয়েছে যাতে প্রচুর ভারি রাসায়নিক এবং ক্ষরিকারক পদার্থ মিশ্রিত থাকে।
এমনি হয়তো আপনি কিছুদিন ব্যবহারে দেখবেন অনেক ফর্সা হয়ে গেছেন। কিন্তু প্রবলেমটা হয় তার ঠিক কিছুদিন পরে। যেমন আপনি হঠাৎ লক্ষ করবেন আপনার ত্বক লালচে বর্নের ধারন করেছে এবং প্রচুর জ্বালাপোড়া করছে, অথবা আপনি রোদে যেতে পারছেন নাহ। বাংলাদেশের বাজারে   

তাহলে আমাদের কি করনিয়…!!

আমাদের প্রতিটা মানুষেরই একটা স্বাবাবিক সুন্দর্যতা রয়েছে। আমাদের উচিত সেই সৌন্দর্য তাকে খেয়াল রাখা এবং যত্ন নেয়া। যেমন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে ত্বকের যত্ন নেয়া।
ডাঃ ঝুমু এছাড়াও জানান, মেডিকেল পন্যর উপর নানাবিধি নজরদারি রয়েছে, কিন্তু কসমেটিকস প্রডাক্টের এটা নেই। যার কারনে ওরা যা খুশি তা কনজুমার পণ্য হিসেবে বাজারে ছাড়ছে। যেমন ফর্সা করার সস্তা ক্রিম আপনার ত্বকের ক্ষতি করবে এটাই তো স্বাভাবিক।  

এক একজনের ত্বক সাধারণত এক এক রকমের হয়ে থাকে। যার কারনে কোনো একটি কসমেটিক প্রোডাক্ট কারো ত্বকে সুট করলেও কারো ক্ষেত্রে না সুট করার সম্ভাবনা থাকে। 

 

অনেককেই দেখা যায় কসমেটিকস প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ত্বকের প্রোবলেমের সমাধান করতে গিয়ে আরো বড় ঝামেলার স্বীকার হয়ে থাকে। 

চিকিৎসকরা বলেন, কখনোই হুট করে কারো কথা শুনে কোনো কসমেটিকস প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন নাহ। 

চিকিৎসকদের মতে, “আপনার ফর্সা হওয়ার জরুরি নেই, ঝকঝকে সুন্দর এবং স্বাস্থ্যবান একটি ত্বকই যথেষ্ট।”    

এখন আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন তাহলে কিভাবে ত্বকের যত্ন নিবো?
প্রাকৃতিক ভাবে ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় জানতে এখানে ক্লিক করুন। 


এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার ত্বকে প্রাকৃতিক বা ভেষজ উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। কারন এতে কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। 

প্রাকৃতিক ভাবে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করুন,পাশাপাশি দৈনিক অন্তত ১ ঘন্টা কার্ডিও করতে হবে। এমনকি অফিসেও নিজের চা বা জলখাবার নিজে নিয়ে আসুন, জলের বোতল ভরার জন্য সিট ছেড়ে উঠুন। পারলে কোনো জিমে অ্যাডমিশন নিন এবং অন্তত এক থেকে দের ঘন্টা বেয়াম করুন। কারডিও এবং বেয়ামের কারনে আপনার রক্ত চলাচল ভাল থাকবে ও মন ফুর ফুরা লাগবে।

এতে করে আপনার শরীর-মন ভালো থাকবে এবং পাশাপাশিা আপনার গায়ের রংয়ের উজ্জলতা বৃদ্ধি পাবে।

তবে আপনি চাইলে, পাইকারিঘর এর স্পেশাল ফেসপ্যাক ব্যবহার  করে দেখতে পারেন। যেখানে রয়েছে বহু সংখ্যক প্রাকৃতিক এবং ভেষজ উপাদানের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই প্রডাক্টে কোনো পার্শপ্রতিকৃয়া নেই। 

সিক্রেট ফেসপ্যাক এর বিশেষত্বঃ

  • স্কিন গ্লো করে
  • সানবার্ন রিমুভ করে
  • ডার্ক সার্কেল / চোখের নিচের কালচে দাগ রিমুভ করে
  • ব্ল্যাক/হুয়াইটহেড বের করে আনে চোখের সামনে।
  • ডিপ ক্লিন করে
  • অনেকের স্কিন কারণ ছাড়াই মলিন হয়ে কালচে হয়ে আসে।এটি অসাধারনভাবে স্কিন উজ্জ্বল করতে পারে
  • প্রথমবার ইউজের পরই বুঝতে পারা যায় এটা কতটা ভালো কাজ করে।৭ দিনের ভেতর রেসাল্ট পাওয়া যাবেফুল নিয়মমতো ইউজ করলে রেসাল্ট পাবেন না এমন কেও হবেন না।
  • এই প্রতিটি কাজ করে পার্মানেন্টলি।ইউজ করা ছেড়ে দিলেও কোন প্রব্লেম হয় না আর আগের মতোও হয়ে আসে না।যতখানি ব্রাইট হয়েছেন তাই থাকবেন

বিদ্রঃছেলে মেয়ে সবাই ইউস করতে পারে এটি। সেনসিটিভ সহ যে কোনো ধরনের স্কিনে ব্যবহার করা যায়।

 

   

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − 4 =