চুল পড়া বন্ধ করার তেল

চুল পড়া বন্ধ করার তেল

আমাদের মানুষের চুল সৌখিন একটা জিনিস। তবে আমরা কতজন আমাদের মাথার চুলের যত্ন নেই। একটা সময় মানুষ তেলের খুব যত্ন করতো কিন্তু বর্তমান সময় কাল ছেলে-মেয়েরা চুলে তেল ব্যবহার করে নাহ বললেই চলে। তেল চুলে প্রটেক্টর হিসেবে কাজ করে। রং যেমন দেয়ালে লাগালে দেয়ালের সৌন্দার্য বৃদ্ধি পায় ঠিক তেমনি দেয়ালকে প্রটেক্টও করে।  দেখবেন কাজের বুয়া বা রিকশাওয়ালা মামার মাথার চুল কিন্তু অনেক ঘন থাকে। এর কারন আপনার কি  মনে হয় ?
কারন তাদের মাথায় কোনো টেনশন নেই। এবং তারা নিয়মিত চুলে তেল ব্যবহার করে। এবার প্রশ্ন হচ্ছে তেল ব্যবহার তো করবো কিন্তু সেটা কি তেল ? একটা সময় ছিল যখন আমাদের দাদা-দাদি, নানা-নানি সবাই রান্নার ক্ষেত্রে, শরীরে লাগানোর ক্ষেত্রে , চুলে দেয়ার ক্ষেত্রে সরিষার তেল ব্যবহার করতো।
কিন্তু এখনকার ছেলে মেয়ে রা তো সরিষা তেল ব্যবহার করাতো ভাল কাছেও যায় না।

এবার প্রশ্ন হচ্ছে তেল ব্যবহার তো করবো কিন্তু সেটা কি তেল ?

একটা সময় ছিল যখন আমাদের দাদা-দাদি, নানা-নানি সবাই রান্নার ক্ষেত্রে, শরীরে লাগানোর ক্ষেত্রে , চুলে দেয়ার ক্ষেত্রে সরিষার তেল ব্যবহার করতো।
কিন্তু এখনকার ছেলে মেয়ে রা তো সরিষা তেল ব্যবহার করাতো ভাল কাছেও যায় না।
তাহলে আসুন জানি সরিষা তেলের গুনাবলিঃ

  • কখনো কখনো দেখা যায়  চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। চুলে নিয়মিত সরিষার তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ করা পসিবল।
  • সরিষার তেলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম মিনারেল এবং ভিটামিন এচ-ডি-ই ও কে। এ ছাড়া থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম, যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।
  • নিয়মিত ব্যবহারে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ চুলকে সতেজ করে।
  • অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান থাকায় সরিষার তেল চুলের খুশকি ও চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে। প্রচুর ফাঙ্গাশের কারনে চুলের গোড়া বুজে গিয়ে চুল পাতলা হয়ে যায়। সরিষার তেল নিয়মিত ব্যবহারে আপনি এই প্রবলেমের সমাধান পাবেন। 

ক্যাস্টর অয়েলঃ

  • ক্যাস্টর অয়েল চুল  বৃদ্ধি ও ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করে। ফ্যাটি এসিড এবং ভিটামিন ই প্রয়োজনীয়  এই তেলের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।
  •  চুল দ্রুত বড় করতে দারুণ ভূমিকা রাখে এই তেল। সমান সমান পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল ও নারিকেল তেল/অলিভ অয়েল/ বাদাম তেল ইত্যাদি একে অপরের সাথে মিশিয়ে নিন এবং  চুলের গোঁড়ায় ম্যাসাজ করে লাগান।৩০-৩৫ মিনিট চুলে রাখুন, তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার করবেন। দুবার না পারলে কমপক্ষে একবার।
  •  স্ট্রেস কমাতে ক্যাস্টার অয়েলের সাথে যোগ করতে পারেন কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল।

নারিকেল তেলের গুনাবলীঃ

  • নারকেল তেল চুলকে ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি চুলের গোঁড়া মজবুত করে থাকে।
  •  শ্যম্পু করার আগে চুলে তেল দিয়ে ভালো করে আঁচড়ে নিন। চুলের জটতো ছাড়বেই, সঙ্গে ময়লাও পরিষ্কার  হবে, মরা কোষ ঝরে পড়বে।
  • নারকেল তেল আর্দ্রতা ধরে রাখে, তাই চুল থাকে ময়েশ্চারাইজড এবং মজবুত, ঝলমলেএবং রেশমি। নারকেল তেল চুলকে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ও তাপ থেকে রক্ষা করে।
  • ফাইবারের ফোলা এবং সংকুচিত হওয়ায় চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এর কারণ হলো স্ক্যাল্পের পানি ধারণ এবং শোষণ। নারকেল তেল এই ড্যামেজ থেকে চুল এবং স্ক্যাল্পকে সম্পূর্ণভাবে রক্ষা করে।
  • সিক্রেট হেয়ারঅয়েল

    পরিমান: ২৫০ মিলি ২-৩ মাস ইউজ করা যায়। কাজঃ চুলের প্রায় সকল সমস্যার সমাধান এর…
    Add to cart 1,800.00৳ 

Blackseed Oil বা কালো জিরার তেলঃ

  • কালো জিরার তেল মাথা বেথা নিরাময়ে খুব ভাল কাজ করে।
    ১/২ চা-চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩ সপ্তাহ খেতে হবে।
  • এছাড়া শান্তিপূর্ণ ঘুমের প্রয়োজনে কালোজিরা তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন ঘুম হবে।

Sesame Oil বা তিলের তেলঃ

  • অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতে তিলের তেল এর জুরি নেই, এই ক্ষেত্রে নিয়মিত মাথার স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করতে হবে।
  • উকুন দূর করতে তিলের তেল ব্যবহার করতে পারেন। 
  • নিয়মিত তিলের তেল ব্যবহারে খুশকী এবং ফাঙ্গাস থেকে আপনি মুক্তি পাবেন।
  • কখনো কখনো দেখা যায় অযত্ন অথবা চুল আয়রনের কারনে চুল ডেমেজ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে আপনি যদি নিয়মিত তিলের তেল ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ডেমেজ চুল খুব তারাতারি রিকোভার করবে।
  • তিলের তেল চুলে কন্ডিশনিং করতেও সাহায্য করে থাকে।

আমান্ড অয়েলঃ

  • খুশকী দূর করতে আমান্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
  • মাথার চুলে চুলকানি বা সংক্রমন থাকলে নিয়মিত আমান্ড অয়েল ব্যবহার করূন।
  • চুলের ডগা ফাটা অথবা চুল পড়ার ক্ষেত্রে আমান্ড অয়েল খুব ভাল কাজ করে।
  • নিষ্প্রাণ চুলের সমস্যা দূর করতে আমান্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
  • আমন্ড অয়েল ভিটামিন ই আর অ্যান্টি অক্সিডান্টে ভরপুর যার ফলে  দূষণ বা রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে চুলের সৌন্দর্য বাড়ায় আমন্ড অয়েল।

তাহলে, উপরক্ত পুরো লেখাটা যদি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে আপনি এখন বুঝেই গেছেন “কোন তেল ব্যবহারে কোন কাজ করে থাকে”


এখন যদি, আপনি সব তেলের কাজ একসাথে পান তাহলে কেমন হয় !

হ্যা, আমি ঠিকই বলছি আমাদের কাছে এমন একটি হেয়ার অয়েল আছে যার ভিতর আপনি উপরের সব কিছু তো পাবেন ই এছাড়াও নানান ধরনের উপাদান পাবেন। 

হ্যা, আপনি আমাদের সিক্রেট হেয়ার অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

এতে রয়েছে, রেড সেন্ডেলউড, জাতামাংসি, কারি লেভেস, ফেনুগরিক, হিবিসকাস, শিকাকাই, জিভান্টাই, ব্লাকসিড অয়েল, সিসেইম অয়েল, কেস্টার অয়েল, আমান্ড অয়েল এবং আরো ৪২টি জিনিস।
আগে ব্যবহার করুন এরপর বিশ্বাস করুন।

এর সাথে আপনি চাইলে আমাদের  সিক্রেট হেয়ার প্যাক  ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 

এতে রয়েছে নানা প্রকার প্রাকৃতিক উপাদান + ভেষজের মিশ্রন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

2 × 4 =